রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

দরবেশ তুমি কহ কহ আজ কোন ভালবাসা দিয়ে


শাহ জালালের কবরে

পল্লী কবি জসীম উদ্দীন

দরবেশতুমি কহ কহ আজ কোন ভালবাসা দিয়ে
এই বাংলার বুকে এনেছিলে মরু আরবেরে নিয়ে।
কোন সুরে তুমি পড়িতে কোরান তাঁহার মধুর বুলে
ভুলি ব্যবধান সকল মানুষ চরণে পড়িল ঢুলে।
হাজার যুগের মিথ্যা আর অন্ধ ধর্মনীতি
পদাঘাতে নর ছুটিয়া আসিল শুনি তব কোন গীতি।
জড় পুতুলের পুজা করে যারা আছিল পুতুল হয়ে
কেমন করিয়া গড়িলে এ জাত তুমি তাহাদেরে ল’য়ে।
জায়নামাজের পাটীখাটি ছিল ক্ষুদ্র সে পরিসর
অর্ধেক বাংলা বসাইলে তুমি কোন বলে তারি’পর?
সদুর আরব মরু পারাপার খর্জ্জুর ছায়াতলে,
উঠেছিল একফালি চাঁদ  নাহিয়া জোছনা জলে।
ডালিম শাখায় বসিয়া দোয়েল গাহিত তাহার গান
খোরমার পাতায় দোলিত বাতাসে শুনি সে’ মধুর তান।
সে চাঁদেরে তুমি বেঁধে দিয়ে গেলে বাংলার আসমানে
আজো সে আঁধারে ছড়ায় জোছনা সবখানে সব প্রাণে ।
দরবেশ তুমি কহ কহ আজ কোন বানী শিখেছিলে
এই বাংলার শ্যামল বুকেতে আরবেরে এনে দিলে।
কবে তুমি সেই প্রথম ফজরে দাঁড়ায়ে মিনার পরে
নিখিল নরেরে ডাক দিয়েছিলে আজানের মধুস্বরে।
আজো সেই সূর ঘুরিয়া ঘুরিয়া মানুষের বুকে বুকে
খোদা তা’লার আরশের পরে মর্ছি পড়িছে সুখে।
বহু পথ ঘুরে আসিয়াছি আমি তোমার কবর পরে
শিখিতে এসেছি কোন ডাকে তুমি ডাকিতে নিখিল নরে ।


বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

কোরআন বলেছে গরুর মাংস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর !?



গরু মূল্যবান সম্পদ। মানুষের পোষা জীবজন্তুর মধ্যে গরু সবচেয়ে উপকারী। দুধ, গোশত ও চামড়াজাত পণ্য ছাড়াও চাষাবাদ, গাড়িটানা ও অর্থনৈতিক সম্পদ হিসেবে এখনও গরুর বিকল্প মেলা ভার।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গুজরাট রাজ্য সরকার মুসলমানদের গরুর মাংস খেতে নিরুৎসাহিত করে বিলবোর্ড টাঙিয়েছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজের রাজ্য গুজরাটে হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল বিজেপি ক্ষমতাসীন। এ রাজ্যের আহমেদাবাদে ওই বিলবোর্ড টাঙানো হয়েছে।
 সেখানে লেখা হয়েছে, গরুর মাংস খেলে রোগ হতে পারে। 
লেখা হয়েছে, গরুর মাংস খেলে রোগ হতে পারে
  
কোনো কোনো বিলবোর্ডে আবার দাবি করা হয়েছে-
‘কোরআন বলছে গরুর মাংস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।’
 তবে মুসলিম নেতারা বলছেন, পবিত্র কোরআনে এ ধরনের কোনো আয়াত নেই।

অল ইন্ডিয়া মুসলিম বোর্ডের সদস্য মুফতি আহমেদ দেভালভি বলেন,
ভারতের কট্টরপন্থী হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো গরু জবাই নিষিদ্ধ করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই চেষ্টা করছে। তবে গত বছরের মে মাসে বিজেপি কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসার পর থেকে গরু রক্ষা আন্দোলন আরো জোরদার হয়েছে। তখন থেকে এ পর্যন্ত ভারতের কয়েকটি রাজ্যে গরু জবাই বন্ধ এবং মাংস বিক্রি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
এ বিলবোর্ডের কঠোর সমালোচনা করে আহমেদাবাদের প্রধান মসজিদের ইমাম সাব্বির আলম বলেছেন, ‘এতে দুই সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে।’
‘পবিত্র কোরআনে আমি এ ধরনের কোনো আয়াত পাইনি।’
পবিত্র কোরআন অনুসারে কোরবানীর ইতিহাস :
মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম (আঃ) কে অনেকবার পরীক্ষা করেছেন। সকল পরীক্ষায় তিনি অত্যন্ত সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন। একরাতে তিনি স্বপ্নে দেখলেন, আল্লাহপাক তাকে ইঙ্গিত করেছেন প্রাণধিক পুত্র হযরত ইসমাঈল (আঃ) কে কোরবানী করতে। বৃদ্ধ বয়সের একমাত্র সন্তান হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর অপেক্ষা অধিকতর প্রিয় আর কি হতে পারে। তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সিদ্ধান্তে পৌঁছলেন যে, হযরত ইসমাঈল (আঃ) কে কোরবানী করবেন। তখন তিনি হযরত ইসমাঈল (আঃ) বললেন, যা পবিত্র কোরআনে এভাবে বর্ণিত হয়েছেঃ “হে বৎস! আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, তোমাকে আমি জবাই করছি। এখন তোমার অভিমত কি?” সে (হযরত ইসমাঈল (আঃ)) বলল, “হে পিতা! আপনি যা আদিষ্ট হয়েছেন তাই করুন। আল্লাহ চাহেতো আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত পাবেন।” (সূরা সফফাত আয়াত-১০২)। ছেলের সাহসিকতাপূর্ণ জবাব পেয়ে হযরত ইব্রাহীম (আঃ) অত্যন্ত খুশি হলেন। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে ছেলের গলায় ছুরি চালান। তখন হযরত জিব্রাইল (আঃ) আল্লাহর নির্দেশে বেহেশত হতে একটা দুম্বা নিয়ে রওয়ানা হলেন। তার মনে সংশয় ছিল পৃথিবীতে পদার্পণের পূর্বেই হযরত ইব্রাহীম (আঃ) যবেহ কাজ সম্পূর্ণ করে ফেলবেন। তাই জিবরাইল (আঃ) আকাশ হতে উচ্চৈস্বরে ধ্বনি দিতে থাকেন “আল্লাহু আকবার”। আওয়াজ শুনে হযরত ইব্রাহীম (আঃ) স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলে উঠলেন, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার”। পিতার মুখে তাওহীদের বাণী শুনতে পেয়ে হযরত ইসমাঈল (আঃ) বলে উঠলেন আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিলহামদ”। আল্লাহর প্রিয় দুই নবী এবং হযরত জিবরাইল (আঃ)-এর কালামগুলো আল্লাহর দরবারে এতই পছন্দনীয় হলো যে, কিয়ামত পর্যন্ত এই কথাগুলো ৯ই জিলহজ্ব ফজর থেকে আসর পর্যন্ত বিশেষ করে ঈদুল আযহার দিনে বিশ্ব মুসলিমের কণ্ঠে উচ্চারিত হতে থাকবে।

আল্লাহপাকের অসীম কুদরতে হযরত ইসমাঈল (আঃ)-এর পরিবর্তে কোরবানী হয়ে গেল একটি বেহেস্তী দুম্বা। কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন হযরত ইব্রাহীম (আঃ)। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পবিত্র কালামে ঘোষণা করেনঃ “তখন আমি তাকে ডেকে বললাম, হে ইব্রাহীম! তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছ। আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের প্রতিদান দিয়ে থাকি। নিশ্চয় এটা একটা সুস্পষ্ট পরীক্ষা। আমি তার (ইসমাঈল (আঃ)-এর পরিবর্তে দিলাম জবেহ করার জন্য এক মহান জন্তু।” (সূরা সাফফাত আয়াত-১০৪-১০৭)। বর্ণিত আছে যে, হযরত ইব্রাহীম (আঃ) উপরোক্ত গায়েবী আওয়াজ শুনে হযরত জিবরাইল (আঃ)কে একটি বেহেস্তী দুম্বাসহ দেখতে পান। এ জান্নাতী দুম্বা হযরত ইব্রাহীম (আঃ) কে দেয়া হলে তিনি আল্লাহর নির্দেশে পুত্রের পরিবর্তে সেটি কোরবানী করলেন। আর তখন থেকেই শুরু হলো কোরবানীর মহান বিস্ময়কর ইতিহাস। যা অনন্তকাল ধরে সুন্নতে ইব্রাহীম হিসেবে বিশ্বের সকল মুসলমানের কাছে আজও স্মরণীয় হয়ে আছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে।
বনি ইসরাইল হজরত মুসা (আ.) এর উম্মত। তারাই আল্লাহর কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি করুণা পেয়েছেন। এমনকি তাদের জন্য আল্লাহ বেহেশত থেকে খাবারও পাঠিয়েছেন। তাদের হেদায়েতের জন্য সবচেয়ে বেশি নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন। কিন্তু মুষ্ঠিমেয় লোক ছাড়া বেশিরভাগই অবিশ্বাসী ছিল। সেই অবাধ্য বনি ইসরাইলদেরই যখন আল্লাহ আদেশ করলেন একটি গরু কোরবানি করতে, তখন মুখে ‘না’ শব্দটি না বললেও অযথা নানা প্রশ্ন ছুঁড়তে শুরু করে যাতে কোরবানি না করতে হয়। কেমন গরু, রঙ কী, বয়স কত? ইত্যাদি সব প্রশ্ন। মহান আল্লাহও তাদের প্রশ্নের বিপরীতে বলেছেন, গরু অবশ্যই মধ্যবয়সী ষাঁড় হতে হবে। যে গরু কৃষিকাজে ব্যবহৃত হয়নি, রোগমুক্ত ও নিখুঁত। বুড়ো বা বাছুর চলবে না। গরুর রঙ হবে গাঢ় পীতবর্ণের, যা সবার কাছে পছন্দনীয়। সূরা বাকারার ৬৭ থেকে ৭৩ নম্বর আয়াতে এর বিস্তর বিবরণ রয়েছে।
কোরবানির পশু হিসেবে গরু : পবিত্র কোরআন ও হাদিসে গরুকে উটের সঙ্গে তুলনা করে কোরবানির উট ও গরুতে সাত শরিক হওয়ার কথা প্রমাণিত রয়েছে। জাবের (রা.) বলেন, ‘আমরা হজের ইহরাম বেঁধে রাসুলুল্লাহ (সা.) এর সঙ্গে বের হলাম। তিনি আমাদের আদেশ করলেন যেন আমরা প্রতিটি উট ও গরুতে সাতজন করে শরিক হয়ে কোরবানি করি।’ (মুসলিম)। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) তার স্ত্রীদের পক্ষ থেকে গরু কোরবানি করেছেন।’ (বোখারি, মুসলিম)। 

বাংলাদেশে কোরবানির পশু হিসেবে গরুই সহজ ও সুলভ। ষাঁড়, বলদ, গাভি সবকিছুই কোরবানির উপযুক্ত। দুই বছর বয়স হলেই গরু কোরবানি করা যায়। ষাঁড় অত্যন্ত দামি পশু। বিপুল দামে  কৃষক তা বিক্রি করে এবং ক্রেতারা ক্রয় করে তা আল্লাহর ওয়াস্তে কোরবানি করেন। 

 সনাতন শাস্র সামবেদের একটি উদৃতি :
সামবেদে মুহাম্মদের (দঃ) পরিচয় বর্ণনা করে বলা হয়েছে - যার নামের প্রথম অক্ষর 'ম' এবং শেষ অক্ষর 'দ' হবে এবং গো মাংস খাওয়ার আদেশ দিবেন, সেই দেবতাই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় দেবতা।
"মদৌ বর্তিতা দেবা দকারান্তেপ্রকৃত্তিতা।
বৃষানাং বক্ষয়েত্‍ সদা মেদাশাস্ত্রেচস্মৃতা \\"


অর্থঃ  "যে দেবের নামের প্রথম অক্ষর"ম" ও শেষ অক্ষর "দ" এবং

যিনি বৃষমাংস (গরুর মাংস) ভক্ষণ সর্বকালের জন্য পুনঃ বৈধ করিবেন,
তিনিই হইবেন বেদানুযায়ী ঋষি।"
গরুর মাংসের বিষয়ে বিজ্ঞান :
আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ৯টি পুষ্টি উপাদান আছে গরুর মাংসে।এগুলো হলো প্রোটিন, জিঙ্ক, ভিটামিন বি১২, সেলেনিয়াম,ফসফরাস, নায়াসিন, ভিটামিন বি৬, আয়রন এবং রিবোফ্লেভিন। প্রোটিন শরীরের পেশী গঠনে ভূমিকা রাখে, জিঙ্ক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ফসফরাস দাত ও হাড়ের শক্তি বাড়ায়, আয়রন শরীরের পেষি গুলোতে অক্সিজেন প্রবাহে সহায়ত করে এবং ভিটামিন বি১২ খাদ্য থেকে শক্তি যোগান দেয়।
বর্ধনশীল বাচ্চা বা টিনএজার দের সমর্থ ও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে গরুর মাংসের তুলনা নেই।তবে বয়স্কদের যারা কায়িক পরিশ্রম করেন না,যাদের ডায়বেটিশ ও হার্টের সমস্যা আছে তারা ডাক্তারের পরামর্শ মতে খেতে পারেন।অর্থাত বয়স্কদের খেতে হবে বুঝে শুনে ।


বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

Arlette Matthijs,monty k & MOUTI Sakour




মৃত্যুর পর কি হবে !

যার জন্ম আছে তার মৃত্যু হওয়া স্বাভাবিক। আমাদের সকলের একদিন না একদিন মৃত্যু হবেই। মৃত্যু নিয়ে যারা চিন্তা করেন তারা জীবনে ভুল কাজ কম করেন। আর যারা মৃত্যুকে ভয় পায় না, তারা কোন কিছু করতে ভয় পান না।আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় রহস্য হল মৃত্যুর পরে আমাদের কি হবে সে সম্পর্কে আমরা সঠিকভাবে জানিনা।
  একটি নতুন জরিপ অনুসারে দেখা যায় ৬৮ শতাংশ লোক মৃত্যুর পরে কি হবে তা নিয়ে বেশ চিন্তিত থাকেন। তারা নিজেদের সবসময় বলে থাকেন, জীবনে তারা এমন কিছু করেন নি যে, সে জন্য তারা জান্নাতে যেতে পারবেন। তারা মৃত্যুর পর জাহান্নামে যাবে বা অনেক কষ্টে থাকবে এরকম চিন্তা থাকে তাদের মাঝে।যখন তাদের প্রশ্ন করা হয় আপনারা মৃত্যুর পর কোথায় থাকবেন বলে মনে হয়।তখন ১,৭৭০ জনের মাঝে ১০ শতাংশ লোক বলেন তাদের হয়ত জাহান্নামে যেতে হবে।তারা এ বিষয় নিয়ে অনেক গবেষণা করে দেখতে পান, প্রতি দশ জনের মাঝে একজন মৃত্যুর পরের সময় নিয়ে অনেক বেশি চিন্তা করেন। কিন্তু আপনি যদি ছেলে হয়ে থাকেন তাহলে এই সংখ্যা প্রতি সাত জনের মাঝে একজন।মনে ভয় থাকার কারণে ২৭ শতাংশ মানুষ সারাজীবন বেঁচে থাকতে চায়। অর্থাৎ তারা কখনও মৃত্যুর স্বাদ নিতে চায় না। তবে ৯০ বছর হয়ে যাবার পর অনেকেই পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে চায় না।মৃত্যুই জীবনের শেষ নয়। সেখান থেকে আরেকটি নতুন অধ্যায়ের শুরু। তাই আগামী অধ্যায়ের জন্য এই অধ্যায় ভালভাবে সম্পন্ন করুন।

সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

Pope Francis 'biggest Muslim Saudi King'



The refugee crisis in the Persian Gulf countries has sparked harsh criticism against the inactive role. In particular, countries such as Germany and Austria are treated humanely pressure on Arab countries.
The 'Christian' Europe one after another of the administration and the people of Syria, "Muslim" refugees are warmly welcome. The Christians of Europe are calling for the refugees, even the Pope himself.

 he "Muslim" refugees to the Gulf countries alone, their situation is the ultimate boredom. As a result of the news media and social media have become vocal.
#arabconscience has been launched by a hashtag.
Genara team that shares a report questioning, the Gulf countries, where are you?
Arab countries in the Gulf region, the role of negative criticism, joined Mark Mac tune.
Refugee crisis on countries in the Gulf, but the government failed to do so many people feel ashamed - James has shared a report grid.
Khalid Latif think, the Pope is due to her recent role in Saudi Arabia's king more than the 'Muslims'.
Wrote one Twitter user dissatisfaction with disgorge, Saudi Arabia and the Gulf countries in the Muslim leaders, whom Islam does not have the slightest effect.
Dinuksi kirtisinhe wrote, "Your religion has taught you this? Muslim brother will not need help? "
Sabrina In the case of refugees, Pakistan, Egypt, Turkey and Lebanon, referring to the Gulf countries and the role of the religious duty of Muslims questioned.
In this context, reminds Karen sugar, Saudi Arabia 100 million dollars to buy weapons for the time being busy with America.


রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প

জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প।
যা কিছু দেখার নাও দেখে নাও
যা কিছু বলার যাও বলে যাও
পাবে না সময় আর হয়ত।।

ঐ ঘাসের কাফনেতে দেখ আকাশ আছে শুয়ে
ঐ বরফ গলা নদী নামে পাহাড় যে বেয়ে
নীড়ে পাখি ফিরে যাবে সূর্যটা গেলে অস্ত।।
যা কিছু দেখার নাও দেখে নাও
যা কিছু বলার যাও বলে যাও
পাবে না সময় আর হয়ত।।

এই রঙ্গিন পৃথিবীতে কত মানুষ এলো গেল
এই আশা যাওয়ার পথে দেখ চেনা যানা হল
ভুলে যেতে হবে সবই পথ চলা হবে অন্ত
যা কিছু দেখার নাও দেখে নাও
যা কিছু বলার যাও বলে যাও
পাবে না সময় আর হয়ত।

      শিল্পীঃ এন্ড্রু কিশোর
      সুরকারঃ আলম খান
      গীতিকারঃ মোঃ মনিরুজ্জামান মনির

শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

Mosalaman refugees being made Christian!

Berlin, Germany: janobi head bent down and gave Mohammed Ali. Black hair on his head priest 'holy' water poured out.
The Iranian refugees gataphraida martensa pastor asked, "Do you stay away from Satan and his evil? Do you stay away from Islam? "
"Yes," replied janobi passionately. The martensa bulalena his blessing hand and the Father, the Son and of the holy spirit, he was converted to Christianity.
Martin is now the name janobira Muslim, Christian said.

..asked, "Do you stay away from Satan and his evil? Do you stay away from Islam? "..

Five months before the Iranian city of Siraj janobi carpenter with his wife and two children came to Germany.
Trinity Evangelical Church in Berlin, on the outskirts of a refugee of the pratyasike janobi one of them was baptized. Most of them Iranian and Afghan refugees.
Many people like janobira, they really have embraced Christianity. But it can not be denied that it would be easy to get them and they are able to claim refugee status in the country after the adoption of Christianity as if they are sent back to be tortured.
Martensa stay in Germany for many victims that have been converted. However, her claim, the teachings of Christianity has changed their lives. 90 percent of the converts to the church comes back again.
Many say they have faith in the Christian religion. He said an Iranian woman, going to church asylum for benefits because he believes that the majority of people.
And while the number of followers of the Christian church jarmanijure kamachila constantly growing number of followers rgijaya martensa watching her. In the past two years increased from 150 to 600 has been increased. Most of them are refugees.
Muslims and Christians to build Martins has launched a three-month course. To get the support of the adoption of Christianity in the refugees, he said.
The church has many followers in Germany. For example, the Lutheran Church of Hanover and reinalyande. Most of them Iranian Muslims converting to Christianity khristanajarmanite how many have taken in recent years, the exact number is not known. About 40 million Muslims live in the country.
Berlin, however, the number of Muslims is growing acceptance of Christianity. This 'miracle' Martins has said.
He said more than 80 people in the church are to be converted. Most of them are Iranian and Afghan refugees.
Hoping to increase greatly the number of asylum seekers in Germany. This year the number is expected to exceed 8 million. It is four times more than last year.
Most of them arrive in Syria, Iraq, Afghanistan and Pakistan. Syrian refugee status easily, but others will be allowed to stay, at least temporarily.
However, refugee status on the basis of what is and how many people are refugees in their own country because of religious persecution that achieves declined to Germany's Federal Office for Migration and Refugees.
However, on Sunday came to the plain janobi baptized when he admitted that he would give new life to their new religion.
"I know very well that some people come here hoping for refugee status. I invite you to join them because I know that everyone here is going to change. "
German Chancellor Angela Merkel said last week that "Islam is part of Germany '.
But in countries like Afghanistan and Iran may be sentenced to the death penalty or if any Muslim, Christian. If the Christians in Iran, Afghanistan and the refugees not to be returned to Germany.
He was baptized in order to receive benefits to asylum seekers are neither publicly acknowledged. It may get you in trouble again because of the status of refugee in Germany. Even in their own country for fear of being harassed many families are not willing to change the name.
'now we are free. The most important thing here is that I'm happy that our children will have a better future and to improve the educational opportunities they will have in Germany, "was janobi.


 Source: Internet